হাফিজার রহমান, স্টাফ রিপোর্টার বগুড়া : বৃহত্তর পাবনা ও বগুড়া জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ২য় পর্য্যায় (১ম সংশোধিত) এর আওতায় বগুড়া জেলার আদমদীঘি উপজেলায় বগুড়া-৩ (আদমদীঘি-দুপচাঁচিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল মহিত তালুকদারের প্রচেষ্টায় প্রায় সাড়ে ৯ কোটি টাকা বরাদ্দে ৮টি কাঁচা ও ইটসোলিং সড়ক পাকাকরণ কাজের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

 

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকল্প পরিচালক মো: গোলাম মোর্শেদ স্বাক্ষরিত এক পত্রে উল্লেখিত ৮টি স্ক্রীমে দরপত্র আহবানসহ কাজ বাস্তবায়নের নিমিত্তে এই অনুমোদন দেয়া হয়। এসব সড়ক পাকাকরণ করা হলে উপজেলার বৃহৎ এলাকার হাজার হাজার মানুষের চলাচলসহ উৎপাদিত কৃষিপণ্য ও মৎস্য শিল্প সহজেই বাজারজাত করণ ও ন্যায্য দামে বিক্রি করতে পারবেন।

অনুমোদন পত্র সুত্রে জানাযায়, বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার যে ৮টি কাঁচা সড়ক পাকাকরণ কাজের অনুমোন ও বরাদ্দ দেয়া হয়েছে সেগুলো হলো, নসরতপুর-তালোড়া ভায়া আলতাফনগর আধাপাকা সড়ক যার বরাদ্দ ১ কোটি ৪৯ লক্ষ্য ৯৭ হাজার ৪১০ টাকা, দৈর্ঘ্য ১.৩৫০ কিলোমিটার।

 

কুন্দগ্রাম-তারতা দুর্গাপুর ভায়া কুশাবাড়ি সড়ক যার বরাদ্দ ১ কোটি ৯ লক্ষ্য ৬৯ হাজার ৯২৫ টাকা, দৈঘ্য ০.৯৫০ কিলোমিটার। ছাতিয়ানগ্রাম-সাওইল ভায়া কোমারপুর কাঁচা ও ইটসোলিং সড়ক যার বরাদ্দ ১ কোটি ৪৬ লক্ষ্য ৩১ হাজার ৬৫৭ টাকা, দৈঘ্য ১.০৮৭ কিলোমিটার। ছাতিয়ানগ্রাম চৌমুহনি হাট ভায়া পালংকুড়ি সড়ক যার বরাদ্দ ১ কোটি ৪৪ লক্ষ্য ৫০ হাজার ৫১৯ টাকা, দৈঘ্য ১.১৬০ কিলোমিটার।

 

বেজার-ভান্ডারগ্রাম কাঁচা সড়ক যার বরাদ্দ ৬৬ লক্ষ্য ৫৫ হাজার ৬৯ টাকা, দৈঘ্য .৬০০ কিলোমিটার। কুসুম্বী-মুরাদপুর ইটসোলিং সড়ক যার বরাদ্দ ৫০ লক্ষ্য ৭৩ হাজার ২৮১ টাকা, দৈঘ্য ০.৪৫০ কিলোমিটার। ছাড়–পাড়া-মথুরাপুর সড়ক যার বরাদ্দ ১ কোটি ৫৪ লক্ষ্য ২৩ হাজার ৯৩৬ টাকা, দৈঘ্য ১.১৫০ কিলোমিটার এবং ছোট আখিড়া স্কুল সড়ক যার বরাদ্দ ৯৩ লক্ষ্য ২২ হাজার ৬৫৭ টাকা, দৈঘ্য, ৭৬০ কিলোমিটার।

 

এ বিষয়ে বগুড়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল মহিত তালুকদারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উন্নয়নমুলক কার্যক্রমের অংশ হিসাবে আমার এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড চলছে।

 

ইতিপূর্বে বিভিন্ন ধর্মীয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সড়ক পাকাকরণ কাজে বরাদ্দ পেয়ে কাজ চলমান রয়েছে। এই ৮টি সড়কের বরাদ্দ তার অতিরিক্ত। আগামী ৫ বছরে আদমদীঘি ও দুপচাঁচিয়া উপজেলায় ব্যাপক উন্নয়ন করা সম্ভব হবে ইনশাল্লাহ।