নিজস্ব প্রতিবেদক : পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় এক গৃহবধূর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগকে কেন্দ্র করে জামায়াতের এক স্থানীয় নেতাকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

 

বুধবার (২৯ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। আহত ফারুক হোসেন প্যাদা ওই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি।

 

স্থানীয়দের দাবি, এক গৃহবধূর সঙ্গে ফারুক হোসেনের অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে।এমন অভিযোগ তুলে কয়েকজন তাকে আটক করে মারধর করেন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

 

তবে এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন ফারুক হোসেন প্যাদা। তিনি দাবি করেন, স্থানীয় সাইদুল, পারভেজসহ মৃধা বাড়ির চার থেকে পাঁচজন ব্যক্তি পূর্বশত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে তার ওপর হামলা চালিয়েছেন। হামলার সময় তার কাছে থাকা ৫০ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

 

ফারুক হোসেন বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। পূর্ববিরোধের জের ধরে তাকে মারধর করা হয়েছে এবং তার সম্মানহানির উদ্দেশ্যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

 

অন্যদিকে অভিযুক্ত গৃহবধূর শাশুড়ির দাবি, ফারুক হোসেন দীর্ঘদিন ধরে তার পুত্রবধূকে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করতেন এবং টাকা-পয়সার প্রলোভন দেখাতেন।

 

বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশও হয়েছে। এরপরও তিনি কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, মারামারির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

 

এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

বিডি /নিউজ /বাংলা২৪/ ডটকম