হাফিজার রহমান, স্টাফ রিপোর্টার বগুড়া : বগুড়ার আদমদীঘিতে স্বামীর অনুপস্থিতিতে শয়ন ঘরে ঢুকে ধর্ষনের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে মারধর গলার চেইন ছিনিয়ে নেয়া সংক্রান্ত মামলায় পুলিশ সাফি ওরফে শফিক (২৪) নামের এক যুবককে গেফতার করেছে। গ্রেপতারকৃত সাফি ওরফে শফিক আদমদীঘি উপজেলার কদমা গ্রামের আব্দুস ছালামের ছেলে। গত শনিবার (১ আগষ্ট) তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সুত্রে জানাযায়, আদমদীঘি উপজেলার কদমা গ্রারে ওই গৃহবধু এক সন্তানের জননী। তার স্বামী একজন স্টাইল মিস্ত্রি। কাজের জন্য সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে প্রায় দিন রাত ১১ দিকে বাড়ি ফিরেন। একই গ্রামের অভিযুক্ত আসামী সাফি ওরফে শফিক ওই গৃহবধুকে প্রায় কু-প্রস্তাব দিত।
বাদিনী গৃহবধু বিষয়টি তার স্বামী ও স্বশুড় স্বাশুড়িকে জানানোর পর এর প্রতিবাদ করলে অভিযুক্ত যুবক ক্ষিপ্ত ও আরো বেপরোয়া হয়। এক পর্যায়ে গত ১৮ জুলাই রাত সাড়ে ১০ টার দিকে স্বামীী বাড়ি না ফেরায় গৃহবধু তার শিশু সন্তানকে ঘুম পাড়াতে শয়ন ঘরে শুয়ে পড়ে।
স্বামী না থাকার সুযোগে যুবক গ্রেফতারকৃত সাফি ওরফে শফিক কৌশলে ঘরে ঢুকে গৃহবধুকে ঝাপটে ধরে প্রায় বিবস্ত্র করে ধর্ষনের চেষ্টা চালায়।এসময় গৃহবধুর সাথে ধস্তাধস্তি করার এক পর্যায়ে গৃহবধু চিৎকার দিলে তাকে মারধর করে গৃহবধুর গলা থেকে সোনার চেইর টান দিয়ে ছিনিয়ে নিয়ে যুবকটি পালায়।
পরে আহত গৃহবধুকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেলে চিকিৎসা করা হয। বাদিনীর অভিযোগ এ বিষয়ে থানায় মামলা না নেয়ায় সম্প্রতি বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুনাল-২ সাফি ওরফে শফিককে আসামীকরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
আদালত আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে এজাহার হিসাবে গ্রহন করার জন্য ওসি আদমদীঘি থানাকে নির্দেশ দিলে গত শনিবার (১ আগষ্ট) রাতে মামলা রেকর্ড করেন এবং এজাহাভুক্ত আসামী সাফি ওরয়ে শফিকে গ্রেপ্তার করেন। আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ কামরুজ্জামান মিয়া জানান, গ্রেফতারকৃতকে রোববার আদারতে পাঠানো হয়েছে।