অরবিন্দ কুমার দাস, দুপচাঁচিয়া (বগুড়া) প্রতিনিধি: দুপচাঁচিয়ার সফল আদা চাষী আব্দুল মজিদ। ধান ও গমের চিরচেনা ফসলের বাইরে এবার মসলা জাতীয় ফসল চাষ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছে দুপচাঁচিয়ার কৃষক আব্দুল মজিদ হারুন।কম খরচে অধিক লাভ হওয়ায় আদা চাষে এখন অনেকেরই আগ্রহ বাড়ছে। অনুক‚ল আবহাওয়া ও সঠিকভাবে যদি পরিচর্যা করা যায় এবার আদার বাম্পার ফলনের আশা করছেন ওই চাষী।

 

সরেজমিনে দেখা গেছে,উপজেলার তালোড়া পৌরসভার পগুইল মহল্লার কৃষক আব্দুল মজিদ হারুন এ বছর প্রায় ২৫ শতক জমিতে আদা চাষ করেছেন। প্রচলিত পদ্ধতির পাশাপাশি আধুনিক ও বিজ্ঞান সম্মত উপায়ে আদা চাষ করায় রোগ বালাই অনেক কম হয়েছে। আদা চাষী আব্দুল মজিদ জানান,আগে অন্য ফসল চাষ করে খুব বেশী লাভ হতনা।

 

আরও পড়ুন 

ডিজিএফআই পরিচয়ে সিএনজি চালক অপহরণ, মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে তিনজন গ্রেপ্তার

 

প্রায় ছয় বছর আগে তিনি নীলফামারীর ডোমার এলাকায় এক আত্মীয় এর বাড়িতে গিয়ে আদা চাষের পদ্ধতি জেনে ও লাভের কথা শুনে সেই মোতাবেক তিনি প্রায় চার বছর ধরে আদা চাষ করে আসছেন। গত বছর তিনি ১৬ শতক জমিতে আদা চাষ করে প্রায় ৩০ মণ আদা পেয়েছিলেন। বীজ, সার, বালাইনাশক ও শ্রমিক খরচ সহ প্রায় ২০ হাজার টাকা খরচ হয়েছিল। এতে তাঁর প্রায় ১ লক্ষ টাকা লাভ হয়েছিল।

 

এ পর্যন্ত তিনি পূর্বের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আদা চাষ করেছেন। এবার উপজেলা কৃষি অফিসের উপসহকারী কৃষি অফিসার তাঁর আদার ক্ষেত দেখে তাকে নানা ধরণের পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি আরও জানান, এবছর ২৫ শতক জমিতে বর্তমানে আদার ক্ষেতের যে অবস্থা তাতে আদার বাম্পার ফলন ও লাভবান হওয়ার আশা ব্যক্ত করেছেন। সেই সংগে সরকারি প্রণোদনার পাশাপাশি আর্থিক সহযোগিতা পেলে আদা চাষের জমির পরিমাণ আরও বৃদ্ধি করা যেতো।

 

উপজেলা কৃষি অফিসের উপসহকারী কৃষি অফিসার মামুন হোসেন প্রাং বলেন, তিনি আব্দুল মজিদ এর আদার ক্ষেত মাঝেমধ্যেই পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করছেন। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মুহাম্মদ সাইফুল আবেদীন জানান, জমিতে আদা চাষ কৃষকদের আর্থিক সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা রাখছে। কৃষি বিভাগ সব সময় কৃষকদের পাশে আছে এবং তাদের কারিগরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

 

বিডি নিউজ বাংলা ২৪ ডটকম