হাফিজার রহমান, স্টাফ রিপোর্টার বগুড়া : আদমদীঘির উপজেলার নসরতপুর ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের পরিত্যক্ত ভগ্নদশা অফিসের হেলে যাওয়া দেয়াল নির্মান করার পর রাতের আধারে কেবা কারা ভেঙ্গে ফেলায় মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। মুক্তিযোদ্ধারা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানিয়েছেন। জানাযায়, স্বাধীনতার পর পর আদমদীঘি উপজেলার নসরতপুর ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের একটি অফিস নসরতপুর পশ্চিম বাজার এলাকায় একটি সরকারি ভবনে চলতো।

 

সেই অফিসটি ঘরটি পরিত্যক্ত ও ভগ্নদশায় পরিণত হওয়ায় নসরতপুর ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধারা সেই অফিস স্থানান্তর করে প্রায় ২০ বছর যাবত নসরতপুর স্টেশনের নিকট রেলওয়ে জায়গায় অফিস নির্মান করে কার্যক্রম চালাতো। এদিকে পুরতান সরকারি জায়গায় অবস্থিত মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের অফিস পরিত্যক্ত হওয়ায় সেখানে কার্যক্রম তেমন চলতো না। কিন্ত অফিসের দেয়ালসহ ঘরটি হেলে পড়ায় মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে পাশের সরু রাস্তা দিয়ে জনগনের চলাচলে দেয়াল ভেঙ্গে পড়ার আশংকায় নিরপত্তাহিনতায় চলাচর করতো সাধারণ মানুষ।

 

ফলে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার আব্দুল হামিদ, বর্তমান কমিটির আহবায়ক কমিটির যুগ্ম আহবায়ক মোজাম্মেল হক মাস্টারসহ স্থানীয় প্রায় ৩০জন মুক্তিযোদ্ধা গত ৩০ জুলাই হেলে পড়া দেয়াল পুন:নির্মানসহ রাস্তা সংস্কার করান। নতুন করে দেয়াল নির্মান ও জনগনের চলাচলের রাস্তা সংস্কার করার সময় এলাকার মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ, বিএনপির নেতৃবর্গ ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। এই ঝুঁকিপুর্ন দেয়াল নির্মান করার ফলে ঝুঁকিতে কিংবা নিরাপত্তাহিনতায় সাধারণ মানুষের চলাচলে আর কোন সমদস্যার সৃষ্টি হয়না বলে দাবী স্থানীয়দের।

 

অপরদিকে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্ম§তিক্রমে নতুন করে দেয়াল নির্মান করার প্রায় ১ মাস পর গত ৩১ আগষ্ট রাতের আধারে কেবা কারা নির্মিত দেয়ালটি ভেঙ্গে ফেলে। এতে মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে ক্ষোভ ও সন্তোষ বিরাজ করছে। সাবেক কমান্ডার আব্দুল হামিদ ও যুগ্ম আহবায়ক মোজাম্মেল হক জানান, তারা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘরের হেলে যাওয়া দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা দু:খজনক। তারা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানান।

 

বিডি নিউজ বাংলা ২৪ ডটকম