বিডি নিউজ বাংলা২৪ ডেস্কঃ
আকারে মাত্র আড়াই ফুট কিন্তু তার বিষের তীব্রতা আর আক্রমণাত্মক স্বভাব কাঁপন ধরিয়ে দেয় বিশ্বের বাঘা বাঘা বিশেষজ্ঞদের বুকেও। বলা হচ্ছে সো-স্কেলড ভাইপার-এর কথা। সাপটি আকারে ছোট হলেও প্রাণঘাতী ক্ষমতার দিক থেকে বিশ্বের অন্যতম ভয়ংকর হিসেবে বিবেচিত। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বের অনেক বড় ও বিশালাকার সাপের তুলনায় এই সাপের কামড়েই প্রতি বছর সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু ঘটে।
মূলত শুষ্ক মরুভূমি ও উষ্ণ অঞ্চলে এই সাপের বসবাস। মধ্যপ্রাচ্য আফ্রিকা পাকিস্তান এবং আমাদের প্রতিবেশী দেশ শ্রীলঙ্কা পর্যন্ত এদের বিস্তৃতি রয়েছে। পরিবেশের সঙ্গে নিজেকে মিলিয়ে রাখার এক অদ্ভুত ক্ষমতা রয়েছে এই সাপের। শরীরের বাদামি বা লালচে বর্ণের কারণে বালু বা পাথরের মাঝে এটিকে সহজে চোখেই পড়ে না। আর এই নিখুঁত ছদ্মবেশই মানুষের জন্য সবচেয়ে বড় ঝুঁকি তৈরি করে।
সাধারণত বেশিরভাগ বিষধর সাপ মানুষের উপস্থিতি টের পেলে বা বিপদ বুঝলে এড়িয়ে যাওয়ার বা সরে যাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু সো-স্কেলড ভাইপারের স্বভাব সম্পূর্ণ উল্টো। এটি অত্যন্ত আক্রমণাত্মক। বিপদের মুখে পড়লে এরা পিছু হটে না বরং চোখের পলকে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে পারে।
এই সাপের আরেকটি অদ্ভুত বৈশিষ্ট্য হলো এর আক্রমণের পূর্বপ্রস্তুতি। আক্রমণের আগে অনেক সময় এটি তার শরীরের খাঁজযুক্ত আঁশগুলো একে অপরের সঙ্গে ঘষে এক ধরনের সাঁসাঁ শব্দ তৈরি করে। এটিকে এক ধরণের সতর্ক সংকেত বলা চলে। তবে সমস্যা হলো, এই শব্দ শুনে মানুষ কিছু বুঝে ওঠার আগেই অনেক ক্ষেত্রে সাপটি আঘাত হেনে ফেলে। ফলে আক্রান্ত ব্যক্তির প্রতিক্রিয়া জানানোর বা নিজেকে বাঁচানোর সুযোগ থাকে খুবই কম।