1. admin@bdnewsbangla24.com : admin :
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৫৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
আদমদীঘিতে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত নারীদের অংশ গ্রহনে প্রীতি ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় রাস্তা দখল, উচ্ছেদ অভিযানে বাধা: সিটি কর্পোরেশনের কর্মীকে ছুরিকাঘাত, এক যুবকের ১৫ দিনের কারাদণ্ড সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে আত্রাইয়ের নিহত ৪ জনের দাফন সম্পন্ন দুপচাঁচিয়ায় এইচএসসি পরীক্ষায় বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজ এবারও শীর্ষে রাজশাহী থেকে বাড়ি ফেরা হলো না জয়া রানীর, ট্রাকের চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষিকার উখিয়ার ইনানীতে মাটির গভীর থেকে গ্যাস নির্গত হয়ে আগুন, ২০০ মিটারে ১৪৪ ধারা জারি পাবনায় বিলে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ গেল ৬ জনের, আহত অন্তত ৫ গোপনে বাল্যবিয়ে, পরে ধুমধাম আয়োজন আদমদীঘিতে রাতভর উচ্চ শব্দে গান-বাজনা প্রতিকার করবে কে সনাতন ধর্মালম্বীদের দামোদর মাস উপলক্ষে দুপচাঁচিয়ায় মাস ব্যাপী নগর কীর্তন শুরু ধুনটে শ্বাসরোধে স্ত্রীকে হত্যা, স্বামী আটক

​রাণীনগরে বাড়ছে মৎস্য অভয়াশ্রম রক্ষা পাচ্ছে দেশীয় প্রজাতির মাছ

বিডি নিউজ বাংলা ২৪ ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬
  • ১২৫ বার পঠিত

বিডি নিউজ বাংলা ২৪ ডেস্কঃ

​ নওগাঁর রাণীনগর উপজেলায় দেশীয় ও বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণে এক নীরব বিপ্লব ঘটছে। শুষ্ক মৌসুমে জলাশয় শুকিয়ে যাওয়া এবং অবৈধ সরঞ্জামের যত্রতত্র ব্যবহারের কারণে একসময় হারিয়ে যেতে বসা দেশীয় মাছের প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে নতুন ও সংস্কারকৃত মৎস্য অভয়াশ্রমগুলো। স্থানীয় প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের যৌথ উদ্যোগে ইতিমধ্যে উপজেলার নদী, খাল ও বিলে মাছের প্রাচুর্য আগের চেয়ে বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

​উপজেলা মৎস্য দপ্তর ও প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পূর্বে রাণীনগর উপজেলায় মাত্র ১টি মৎস্য অভয়াশ্রম ছিল। তবে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে উপজেলা পরিষদের অর্থায়নে (এডিপির আওতায়) নতুন করে আরও ৫টি অভয়াশ্রম স্থাপন ও সংস্কার করা হয়েছে। এর ফলে উপজেলায় বর্তমান মোট অভয়াশ্রমের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬টিতে।
​
​হাতিরপুল রক্তদহ মৎস্য অভয়াশ্রম (রতনডারা খাল, হাতিরপুল এলাকা

​নদী, হাওর বা বিলের একটি নির্দিষ্ট অংশ যেখানে মাছের নিরাপদ প্রজননের জন্য সারা বছর বা বছরের নির্দিষ্ট সময়ে মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকে। এটি মূলত মা মাছের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করে।

​অবৈধ জাল ও সরঞ্জাম নিধনে কঠোর প্রশাসন
​অভয়াশ্রমগুলোতে মাছের নিরাপদ পরিবেশ বজায় রাখতে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য দপ্তর একযোগে কাজ করছে। মৎস্যজীবীদের সচেতন করার পাশাপাশি চলতি বছর রেকর্ড পরিমাণ ক্ষতিকর চায়না দুয়ারী জাল, বানা ও কারেন্ট জালসহ বিভিন্ন অবৈধ সরঞ্জাম জব্দ ও বিনষ্ট করা হয়েছে, যা পুরো উপজেলায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, মৎস্য অফিসে পর্যাপ্ত জনবল থাকলে এই কার্যক্রম আরও জোরদার করা সম্ভব হতো।

​উপজেলার কুজাইল এলাকার বাসিন্দা তুষার হোসেন জানান, ছোট যমুনা নদীতে একাধিক অভয়াশ্রম গড়ে ওঠায় এবার নদী থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণ দেশীয় মাছ পাওয়া যাচ্ছে। স্থানীয় যুবসমাজ ও মৎস্যজীবীরা অভয়াশ্রম রক্ষায় সচেতনতামূলক কাজ করছেন। দেশীয় মাছের বংশ রক্ষায় উপজেলার অন্যান্য বিল ও খালেও এমন উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন তারা।
​
​স্থানীয়দের সার্বিক সহযোগিতায় গড়ে তোলা এই অভয়াশ্রমগুলোতে মা মাছের সংখ্যা অনেক বেড়েছে। চলতি বর্ষা মৌসুমে নির্বিঘ্নে প্রজনন হওয়ায় এবার মাছের উৎপাদন ব্যাপক বৃদ্ধি পাবে বলে আমরা আশা করছি।

পলাশ দেবনাথ চন্দ্র সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রাণীনগর।দেশীয় মাছের বংশ বৃদ্ধিতে অভয়াশ্রম রক্ষা করার কোনো বিকল্প নেই। নওগাঁ জেলার ১১টি উপজেলায় মোট ৪০টি মৎস্য অভয়াশ্রমের মধ্যে রাণীনগরেই রয়েছে ৬টি। সাধারণ মানুষকে আরও সচেতন করে আগামীতেও এই কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে।

​রাণীনগরে বাড়ছে মৎস্য অভয়াশ্রম রক্ষা পাচ্ছে দেশীয় প্রজাতির মাছ

​ রাণীনগর নওগাঁ প্রতিনিধিঃ নওগাঁর রাণীনগর উপজেলায় দেশীয় ও বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণে এক নীরব বিপ্লব ঘটছে। শুষ্ক মৌসুমে জলাশয় শুকিয়ে যাওয়া এবং অবৈধ সরঞ্জামের যত্রতত্র ব্যবহারের কারণে একসময় হারিয়ে যেতে বসা দেশীয় মাছের প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে নতুন ও সংস্কারকৃত মৎস্য অভয়াশ্রমগুলো। স্থানীয় প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের যৌথ উদ্যোগে ইতিমধ্যে উপজেলার নদী, খাল ও বিলে মাছের প্রাচুর্য আগের চেয়ে বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

​উপজেলা মৎস্য দপ্তর ও প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পূর্বে রাণীনগর উপজেলায় মাত্র ১টি মৎস্য অভয়াশ্রম ছিল। তবে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে উপজেলা পরিষদের অর্থায়নে (এডিপির আওতায়) নতুন করে আরও ৫টি অভয়াশ্রম স্থাপন ও সংস্কার করা হয়েছে। এর ফলে উপজেলায় বর্তমান মোট অভয়াশ্রমের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬টিতে।
​
​হাতিরপুল রক্তদহ মৎস্য অভয়াশ্রম (রতনডারা খাল, হাতিরপুল এলাকা)

​নদী, হাওর বা বিলের একটি নির্দিষ্ট অংশ যেখানে মাছের নিরাপদ প্রজননের জন্য সারা বছর বা বছরের নির্দিষ্ট সময়ে মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকে। এটি মূলত মা মাছের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করে।

​অবৈধ জাল ও সরঞ্জাম নিধনে কঠোর প্রশাসন
​অভয়াশ্রমগুলোতে মাছের নিরাপদ পরিবেশ বজায় রাখতে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য দপ্তর একযোগে কাজ করছে। মৎস্যজীবীদের সচেতন করার পাশাপাশি চলতি বছর রেকর্ড পরিমাণ ক্ষতিকর চায়না দুয়ারী জাল, বানা ও কারেন্ট জালসহ বিভিন্ন অবৈধ সরঞ্জাম জব্দ ও বিনষ্ট করা হয়েছে, যা পুরো উপজেলায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, মৎস্য অফিসে পর্যাপ্ত জনবল থাকলে এই কার্যক্রম আরও জোরদার করা সম্ভব হতো।

​উপজেলার কুজাইল এলাকার বাসিন্দা তুষার হোসেন জানান, ছোট যমুনা নদীতে একাধিক অভয়াশ্রম গড়ে ওঠায় এবার নদী থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণ দেশীয় মাছ পাওয়া যাচ্ছে। স্থানীয় যুবসমাজ ও মৎস্যজীবীরা অভয়াশ্রম রক্ষায় সচেতনতামূলক কাজ করছেন। দেশীয় মাছের বংশ রক্ষায় উপজেলার অন্যান্য বিল ও খালেও এমন উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন তারা।
​
​স্থানীয়দের সার্বিক সহযোগিতায় গড়ে তোলা এই অভয়াশ্রমগুলোতে মা মাছের সংখ্যা অনেক বেড়েছে। চলতি বর্ষা মৌসুমে নির্বিঘ্নে প্রজনন হওয়ায় এবার মাছের উৎপাদন ব্যাপক বৃদ্ধি পাবে বলে আমরা আশা করছি।

পলাশ দেবনাথ চন্দ্র সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রাণীনগর।দেশীয় মাছের বংশ বৃদ্ধিতে অভয়াশ্রম রক্ষা করার কোনো বিকল্প নেই। নওগাঁ জেলার ১১টি উপজেলায় মোট ৪০টি মৎস্য অভয়াশ্রমের মধ্যে রাণীনগরেই রয়েছে ৬টি। সাধারণ মানুষকে আরও সচেতন করে আগামীতেও এই কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে।

রাণীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রাকিবুল হাসান জানান দেশীয়জাতসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ রক্ষার্থে এবং মাছের উৎপাদন  বৃদ্ধি করতে মৎস্য অভয়াশ্রম বিনির্মাণ এবং রক্ষা করার কোন বিকল্প নেই। পাশাপাশি মৎস্যজীবী ও স্থানীয়দের মাছ আহরনের ক্ষেত্রে সচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। অবৈধভাবে মাছ ধরা রোধে এবং  দেশীয় মাছসহ অন্যান্য মাছ রক্ষায় উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য দপ্তর একযোগে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর