1. admin@bdnewsbangla24.com : admin :
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৪৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
আদমদীঘিতে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত নারীদের অংশ গ্রহনে প্রীতি ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় রাস্তা দখল, উচ্ছেদ অভিযানে বাধা: সিটি কর্পোরেশনের কর্মীকে ছুরিকাঘাত, এক যুবকের ১৫ দিনের কারাদণ্ড সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে আত্রাইয়ের নিহত ৪ জনের দাফন সম্পন্ন দুপচাঁচিয়ায় এইচএসসি পরীক্ষায় বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজ এবারও শীর্ষে রাজশাহী থেকে বাড়ি ফেরা হলো না জয়া রানীর, ট্রাকের চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষিকার উখিয়ার ইনানীতে মাটির গভীর থেকে গ্যাস নির্গত হয়ে আগুন, ২০০ মিটারে ১৪৪ ধারা জারি পাবনায় বিলে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ গেল ৬ জনের, আহত অন্তত ৫ গোপনে বাল্যবিয়ে, পরে ধুমধাম আয়োজন আদমদীঘিতে রাতভর উচ্চ শব্দে গান-বাজনা প্রতিকার করবে কে সনাতন ধর্মালম্বীদের দামোদর মাস উপলক্ষে দুপচাঁচিয়ায় মাস ব্যাপী নগর কীর্তন শুরু ধুনটে শ্বাসরোধে স্ত্রীকে হত্যা, স্বামী আটক

​আফ্রিকার বুকে অন্য এক বাংলাদেশ,সিয়েরা লিওনে জ্বলছে বাংলার আলো

বিডি নিউজ বাংলা ২৪ ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬
  • ১৩৪ বার পঠিত

 

​অনলাইন সংগ্রহীতঃ

বিশ্বের বুকে বাঙালি এবং বাংলা ভাষার গৌরব নতুন কিছু নয়। কিন্তু আপনি কি জানেন, নিজ ভূখণ্ডের সীমানা পেরিয়ে সুদূর আফ্রিকার একটি দেশেও বাংলাকে দেওয়া হয়েছে অভাবনীয় সম্মান? বাংলাদেশ ছাড়া পৃথিবীর একমাত্র দেশ হিসেবে সিয়েরা লিওন বাংলাকে তাদের অন্যতম দাপ্তরিক বা সরকারি ভাষার (Official Language) মর্যাদা দিয়েছে।

 

 

​২০০২ সালের ১২ ডিসেম্বর দেশটির তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আহমেদ তিজান কাব্বাহ্ এই ঐতিহাসিক ঘোষণা দেন। কিন্তু কেন আফ্রিকার একটি দেশ নিজেদের অফিশিয়াল ভাষা হিসেবে বাংলাকে বেছে নিল? এর পেছনে রয়েছে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের রক্ত, ঘাম এবং ভালোবাসার এক অনন্য ইতিহাস।

 

 

​
​নব্বইয়ের দশকে সিয়েরা লিওনে এক ভয়াবহ গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে। সেই সংকটময় মুহূর্তে জাতিসংঘের শান্তিমিশনের (UNAMSIL) অংশ হিসেবে সিয়েরা লিওনে পা রাখেন বাংলাদেশি সেনাসদস্যরা।

 

 

​তারা কেবল অস্ত্র হাতে যুদ্ধই থামাননি,বরং দেশটির সাধারণ মানুষের মন জয় করেছিলেন।ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া দেশটির রাস্তাঘাট পুনর্নির্মাণ, ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা, এবং স্থানীয়দের মাঝে শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা জীবন বাজি রেখে কাজ করেন।
​

 

 

​বাংলাদেশি সেনাসদস্যদের এই নিঃস্বার্থ ভালোবাসা এবং বীরত্বের প্রতি সম্মান জানাতেই সিয়েরা লিওন সরকার বাংলাকে তাদের অন্যতম সরকারি ভাষা হিসেবে ঘোষণা করে। বর্তমানে দেশটির বহু মানুষ সাধারণ কথ্য ভাষায় বেশ কিছু বাংলা শব্দ ব্যবহার করেন এবং বাংলাদেশি সংস্কৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা পোষণ করেন।

 

 

​এই স্বীকৃতি কেবল দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্ককেই জোরদার করেনি,বরং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলা ভাষার মর্যাদা এবং বাংলাদেশের সুনামকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। আজ সিয়েরা লিওনের মাটিতে কান পাতলে যে বাংলার প্রতিধ্বনি শোনা যায়,তা প্রতিটি বাঙালির জন্য এক পরম গর্বের অধ্যায়।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর