1. admin@bdnewsbangla24.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
আদমদীঘিতে জাতীয় যুব দিবস পালিত রাণীনগরে জাতীয় যুব দিবস পালিত আত্রাইয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন আদমদীঘিতে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত নারীদের অংশ গ্রহনে প্রীতি ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় রাস্তা দখল, উচ্ছেদ অভিযানে বাধা: সিটি কর্পোরেশনের কর্মীকে ছুরিকাঘাত, এক যুবকের ১৫ দিনের কারাদণ্ড সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে আত্রাইয়ের নিহত ৪ জনের দাফন সম্পন্ন দুপচাঁচিয়ায় এইচএসসি পরীক্ষায় বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজ এবারও শীর্ষে রাজশাহী থেকে বাড়ি ফেরা হলো না জয়া রানীর, ট্রাকের চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষিকার উখিয়ার ইনানীতে মাটির গভীর থেকে গ্যাস নির্গত হয়ে আগুন, ২০০ মিটারে ১৪৪ ধারা জারি পাবনায় বিলে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ গেল ৬ জনের, আহত অন্তত ৫

তিস্তায় পানি বৃদ্ধি ও বিপদসীমা অতিক্রমের পর স্বস্তি, পানি এখন বিপদসীমার ১৬ সেন্টিমিটার নিচে

জিন্নাতুল ইসলাম জিন্না
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬
  • ৮৩ বার পঠিত
‎
‎
‎
‎​জিন্নাতুল ইসলাম জিন্না, লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি: উজানের পাহাড়ি ঢল ও অব্যাহত বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করার পর এখন কিছুটা কমেছে। বর্তমানে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ১৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
‎
‎পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (১০ জুলাই) পানি প্রবাহ কিছুটা কমে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরেছে। ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি এখন ৫১.৯৯ সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে (স্বাভাবিক ৫২.১৫ সেন্টিমিটার)। অর্থাৎ, পানি এখন বিপদসীমার ১৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
‎
‎​এর আগে, বৃহস্পতিবার (০৯ জুলাই) রাত ৯টায় তিস্তা ব্যারেজের ডালিয়া পয়েন্টে নদীর পানি বিপদসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল। মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পানি বিপদসীমা অতিক্রম করায় নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলগুলোর বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক দেখা দিয়েছিল। পানি বাড়ার সাথে সাথেই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যারেজের সবকটি (৪৪টি) গেট খুলে দেওয়া হয়েছিল।
‎
‎​গত কয়েক দিনের অস্থিরতায় নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে উদ্বেগ থাকলেও, বর্তমান পানি হ্রাসের খবরে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। তবে নদীতীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের এখনো সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। বিশেষ করে চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলের কৃষকরা ফসলি জমির ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা থেকে পুরোপুরি মুক্ত হতে পারছেন না।
‎
‎তিস্তা ব্যারেজ ডালিয়া পয়েন্টের ইনচার্জ নুরুল ইসলাম জানান, উজানের পানির প্রবাহের ওপর ভিত্তি করে নদীর পানির স্তর ওঠানামা করছে। আমরা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছি। নদীর পানির গতিপ্রকৃতি দেখে গেটগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।
‎
‎লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মুহ. রাশেদুল হক প্রধান জানান, জেলা প্রশাসন পুরো পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখছে। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। কোনো এলাকায় আকস্মিক পানি বৃদ্ধি পেলে যেন তাৎক্ষণিক সেবা পৌঁছানো যায়, সেজন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
‎
‎এছাড়াও পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটিগুলোকে সজাগ থাকতে বলা হয়েছে।
‎নদীতীরবর্তী লালমনিরহাটের পাটগ্রাম, হাতীবান্ধা, কালীগঞ্জ ও আদিতমারী ও লালমনিরহাট সদর উপজেলার নদীবেষ্টিত এলাকার বাসিন্দাদের যেকোনো পরিস্থিতিতে সতর্ক থাকতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
‎
‎
Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর