অরবিন্দ কুমার দাস, দুপচাঁচিয়া (বগুড়া) প্রতিনিধি: শারদীয় দুর্গোৎসবের সবচেয়ে মহিমান্বিত ও জমকালো দিন মহাঅষ্টমী তিথি। এ উপলক্ষে সোমবার ভোর থেকেই বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার প্রতিটি মণ্ডপ ভক্তদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে। ঢাকের গুরু গম্ভীর আওয়াজ, শঙ্খধ্বনি এবং ধুপের সুবাসে চারদিক যেন তৈরি হয়েছে এক স্বর্গীয় পরিবেশ।
দুর্গা পূজার আধ্যাত্মিক পরিক্রমায় মহাঅষ্টমীকে ধরা হয় উৎসবের প্রধান কেন্দ্রবিন্দু। শাস্ত্রীয় নিয়ম মেনে মায়ের চরণে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ করতে সকাল থেকেই মণ্ডপে মণ্ডপে সনাতন ধর্মালম্বীর নারী পুরুষদের ভিড় করতে দেখা যায়। পঞ্জিকা মতে, অষ্টমী তিথি ১৯ অক্টোবর সোমবার ভোর থেকে সকাল ১০টা ৫১ মিনিট পর্যন্ত বিরাজমান থাকে। তাই এর মধ্যেই অষ্টমী পূজা সম্পন্ন করতে হয়। অষ্টমী তিথির প্রধান আকর্ষণ হচ্ছে কুমারী ও সন্ধি পূজা। শুদ্ধ হৃদয়ের প্রতীক হিসাবে কোন অল্প বয়সী কন্যাকে দেবী রূপে সাজিয়ে এদিন শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
যদিও কুমারী পূজা সব মণ্ডপে করা হয় না। অন্যদিকে অষ্টমী ও নবমী তিথি সন্ধিক্ষণে অনুষ্ঠিত হয় আলো ঝলমলে সন্ধি পূজা। সেখানে ১০৮টি মাটির প্রদীপ ও পদ্মফুলে বরণ করে নেওয়া হয় দেবীর চামুণ্ডা রূপকে। শাস্ত্র মতে সোমবার সকাল ১০টা ২৭ মিনিট থেকে ১১টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত সন্ধি পূজা ও ১০টা ৫১ মিনিটের মধ্যে পুষ্পাঞ্জলি দিয়ে এ মহাঅষ্টমী পূজা সম্পন্ন করা হয়।
ভক্তরা জানান, উপবাস থেকে নতুন পোশাকে করজোড়ে তাঁরা মা রূপী দেবী দুর্গার নিকট প্রার্থনা করেন সকল অপশক্তি বিনাশ ঘটে যেন পৃথিবীতে শান্তি ও সম্প্রতি বজায় থাকে।