1. admin@bdnewsbangla24.com : admin :
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
আদমদীঘিতে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত নারীদের অংশ গ্রহনে প্রীতি ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় রাস্তা দখল, উচ্ছেদ অভিযানে বাধা: সিটি কর্পোরেশনের কর্মীকে ছুরিকাঘাত, এক যুবকের ১৫ দিনের কারাদণ্ড সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে আত্রাইয়ের নিহত ৪ জনের দাফন সম্পন্ন দুপচাঁচিয়ায় এইচএসসি পরীক্ষায় বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজ এবারও শীর্ষে রাজশাহী থেকে বাড়ি ফেরা হলো না জয়া রানীর, ট্রাকের চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষিকার উখিয়ার ইনানীতে মাটির গভীর থেকে গ্যাস নির্গত হয়ে আগুন, ২০০ মিটারে ১৪৪ ধারা জারি পাবনায় বিলে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ গেল ৬ জনের, আহত অন্তত ৫ গোপনে বাল্যবিয়ে, পরে ধুমধাম আয়োজন আদমদীঘিতে রাতভর উচ্চ শব্দে গান-বাজনা প্রতিকার করবে কে সনাতন ধর্মালম্বীদের দামোদর মাস উপলক্ষে দুপচাঁচিয়ায় মাস ব্যাপী নগর কীর্তন শুরু ধুনটে শ্বাসরোধে স্ত্রীকে হত্যা, স্বামী আটক

আদমদীঘিতে চামড়া কিনে লোকসানের শঙ্কায় ব্যবসায়ীরা

বিডি নিউজ বাংলা ২৪ ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১ জুন, ২০২৬
  • ১৩৪ বার পঠিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বগুড়ার আদমদীঘিতে এবার ঈদুল আযহার কোরবানির পশুর চামড়া কিনে লোকসানের শঙ্কায় পড়েছে ক্ষুদ্র চামড়া ব্যবসায়ীরা। প্রকার ভেদে প্রতি পিস গরুর চামড়া ২৫০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে গ্রামাঞ্চলে। তবে ছাগলে চামড়া বিক্রি না হওয়ায় অনেকেই ফেলে দিয়েছেন বলে ভুক্তভোগিরা জানিয়েছেন। আদমদীঘির ক্ষুদে মৌসুমি চামড়া ক্রেতা ব্যবসায়ী বেলাল হোসেন, হারুনর রশিদ জানায়, বিভিন্ন গ্রামে কোরবানির চামড়া কিনে কয়েক বছর যাবত লোকসানের কবলে রয়েছেন তারা। ট্যানারি মালিকদের সরাসরি কেনার পাশাপাশি সরকারি নির্ধারিত দামে চামড়া না কেনায় এবং চামড়া সংরক্ষনে স্থানীয় ভাবে লবন সরবরাহ না পাওয়ায় চরম ক্ষতির কবলে পড়েছেন। তার প্রকার ভেদে গরুর চামড়া ২০০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত কিনেছেন। ছাগলের চামড়া কেনা কোন আগ্রহ ছিলনা তাদের। ফলে অনেকেই ছাগলের চামড়া ফেলে দিয়েছেন। চামড়ার সিন্ডিকেট থাকায় এবারও চামড়ার ন্যায্য দাম মিলেনি। এতে চামড়া হকদার দরিদ্র মানুষরা তাদের পওনা থেকে বঞ্চিত হলেন। চামড়া বিক্রেতা কাশিমালার মিজানুর রহমান জানান, তার কোরবানির গরু ছিল মাঝারি আকারের গাভী গরুর চামড়া বিক্রি হয়েছে মাত্র ৩০০ টাকায়। তার গ্রামে সেেব্বার্চ ৩৫০ টাকা দামে চামড়া বিক্রি হয়েছে। প্রতি বছর ঈদুল আযহার মৌসুমি ক্ষুদ্র চামড়া ব্যবসায়ীরা লাভের আশায় গ্রামে গ্রামে ঘুরে চামড়া কিনেন। কিন্ত মহাজনের কবলে পড়ে তারা লোকসানে চামড়া বিক্রি করতে বাধ্য হন বলে ক্ষুদ্র চামড়া ক্রেতারা দাবী করেন। তারা চামড়ার বাজার স্থিতি রাখতে এই জাতীয় কোরবানির চামড়ার বাজার স্থিতি রাখার দাবী জানান।
Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর