1. admin@bdnewsbangla24.com : admin :
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
আদমদীঘিতে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত নারীদের অংশ গ্রহনে প্রীতি ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় রাস্তা দখল, উচ্ছেদ অভিযানে বাধা: সিটি কর্পোরেশনের কর্মীকে ছুরিকাঘাত, এক যুবকের ১৫ দিনের কারাদণ্ড সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে আত্রাইয়ের নিহত ৪ জনের দাফন সম্পন্ন দুপচাঁচিয়ায় এইচএসসি পরীক্ষায় বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজ এবারও শীর্ষে রাজশাহী থেকে বাড়ি ফেরা হলো না জয়া রানীর, ট্রাকের চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষিকার উখিয়ার ইনানীতে মাটির গভীর থেকে গ্যাস নির্গত হয়ে আগুন, ২০০ মিটারে ১৪৪ ধারা জারি পাবনায় বিলে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ গেল ৬ জনের, আহত অন্তত ৫ গোপনে বাল্যবিয়ে, পরে ধুমধাম আয়োজন আদমদীঘিতে রাতভর উচ্চ শব্দে গান-বাজনা প্রতিকার করবে কে সনাতন ধর্মালম্বীদের দামোদর মাস উপলক্ষে দুপচাঁচিয়ায় মাস ব্যাপী নগর কীর্তন শুরু ধুনটে শ্বাসরোধে স্ত্রীকে হত্যা, স্বামী আটক

​৮ বছর ধরে ‘দোকানে’ খুঁড়িয়ে চলছে আবাদপুকুর পোস্ট অফিস: স্থায়ী ভবনের অপেক্ষায় সেবাগ্রহীতারা

বিডি নিউজ বাংলা ২৪ ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১ জুন, ২০২৬
  • ১৩৬ বার পঠিত

বিডি নিউজ বাংলা ২৪ ডেস্ক : নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার পূর্ব জনপদের প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র আবাদপুকুর বাজার। প্রতিদিন এখান থেকে সারা দেশে ধান ও চালের বিশাল চাহিদা পূরণ করা হয়। বাণিজ্যিক গুরুত্ব বিবেচনায় এখানে ব্যাংক, বীমা, এনজিও ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ অর্ধশতাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান থাকলেও চরম অবহেলিত অবস্থায় পড়ে আছে সরকারি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান ‘আবাদপুকুর পোস্ট অফিস’ (কোড নং ৫৮৯০)। দীর্ঘ ৮ বছর ধরে নিজস্ব ভবন না থাকায় অন্যের দোকানে বসে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে এর দাপ্তরিক কার্যক্রম। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সেবাগ্রহীতারা।

​
​পোস্টমাস্টার মোঃ এমদাদুল আলম ক্ষোভের সঙ্গে জানান, গত ৮ বছর ধরে তিনি স্থায়ী কোনো কক্ষ ছাড়াই কাজ করছেন। এর আগে দীর্ঘ এক বছর একটি ফলের দোকানে বসে দাপ্তরিক কাজ চালিয়েছেন। এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে বগুড়া জেলা ডেপুটি পোস্টমাস্টার জেনারেল (DPMG) এসে বর্তমানে ‘এস টু কম্পিউটার’ নামক দোকানে বসে সাময়িকভাবে কাজ চালানোর নির্দেশ দেন। সেই থেকে এভাবেই চলছে সরকারি এই সেবা।
​
​পোস্ট অফিসের রানার দুলাল হোসেন জানান, পুরনো ঘরটি ভেঙে যাওয়ার পর বারবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কোনো প্রতিকার মেলেনি। এমনকি পোস্টমাস্টার ও আমি মিলে নিজস্ব অর্থায়নে পোস্ট অফিসের জায়গায় দুটি ইটের ঘর নির্মাণ করতে চাইলেও কর্তৃপক্ষ অনুমতি দেয়নি। কর্তৃপক্ষের সাফ নির্দেশ-ব্যক্তিগত টাকায় সরকারি জায়গায় কোনো স্থাপনা করা যাবে না।
​সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সরকারি অর্থায়নে ভবন নির্মাণের জন্য ন্যূনতম ৩ শতাংশ রেজিস্ট্রিকৃত জায়গার প্রয়োজন। কিন্তু আবাদপুকুর পোস্ট অফিসের নামে জায়গা রয়েছে মাত্র ২ শতাংশ। আবাদপুকুর বাজারের মতো দামি এলাকায় অবশিষ্ট ১ শতাংশ জায়গা কে দান করবে-তা নিয়ে দেখা দিয়েছে চরম অনিশ্চয়তা।
​
​দোকান মালিক মোঃ হারুন অর রশিদ (টিপু) জানান, তার দোকানের একটি অংশ নিয়ে প্রায় ৬-৭ বছর ধরে পোস্ট অফিসের কার্যক্রম চলছে। দোকানের মাসিক ভাড়া ৪৪০০ টাকা। শর্ত ছিল ভাড়ার অর্ধেক (২২০০ টাকা) পোস্ট অফিস কর্তৃপক্ষ পরিশোধ করবে। কিন্তু দীর্ঘদিন পার হলেও সেই ভাড়ার টাকা পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি বিদ্যুৎ বিলও দোকান মালিককেই পরিশোধ করতে হচ্ছে। উল্টো পোস্ট ই-সেন্টার পরিচালনার জন্য  আমাকে প্রতি মাসে ২০০ টাকা পোস্ট অফিসে দিতে হয়।
​
​একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকায় পোস্ট অফিসের এমন জরাজীর্ণ দশা মেনে নিতে পারছেন না স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ। এলাকাবাসী দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করে একটি স্থায়ী ভবন নির্মাণের জন্য বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
​বগুড়া জেলা ডেপুটি জেনারেল পোস্টমাস্টার জেনারেল (DPMG) মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, আবাদপুকুর পোস্ট অফিসটি দীর্ঘ ৮ বছর ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। আমরা ইতিমধ্যে সেখানে নতুন ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি এবং পুনর্নির্মাণ তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়েছি। সারাদেশে ৮,৪৬০টি অ-বিভাগীয় ডাকঘর রয়েছে, যা একবারে নির্মাণ করা সম্ভব নয়। পর্যায়ক্রমে আবাদপুকুর পোস্ট অফিসের ভবনটিও নির্মাণ করা হবে। তিনি ওরো বলেন ওইখানে জায়গা তিন শতকের কম থাকলেও পরিকল্পনা মাফিক ভবন তৈরি করা হবে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর