1. admin@bdnewsbangla24.com : admin :
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০২:০০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
আদমদীঘিতে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত নারীদের অংশ গ্রহনে প্রীতি ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় রাস্তা দখল, উচ্ছেদ অভিযানে বাধা: সিটি কর্পোরেশনের কর্মীকে ছুরিকাঘাত, এক যুবকের ১৫ দিনের কারাদণ্ড সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে আত্রাইয়ের নিহত ৪ জনের দাফন সম্পন্ন দুপচাঁচিয়ায় এইচএসসি পরীক্ষায় বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজ এবারও শীর্ষে রাজশাহী থেকে বাড়ি ফেরা হলো না জয়া রানীর, ট্রাকের চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষিকার উখিয়ার ইনানীতে মাটির গভীর থেকে গ্যাস নির্গত হয়ে আগুন, ২০০ মিটারে ১৪৪ ধারা জারি পাবনায় বিলে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ গেল ৬ জনের, আহত অন্তত ৫ গোপনে বাল্যবিয়ে, পরে ধুমধাম আয়োজন আদমদীঘিতে রাতভর উচ্চ শব্দে গান-বাজনা প্রতিকার করবে কে সনাতন ধর্মালম্বীদের দামোদর মাস উপলক্ষে দুপচাঁচিয়ায় মাস ব্যাপী নগর কীর্তন শুরু ধুনটে শ্বাসরোধে স্ত্রীকে হত্যা, স্বামী আটক

ধুনটে বৃদ্ধ দম্পতির ভাঙা ঘর- নড়ভরে, বৃষ্টির পানি চুয়ে পড়ে 

কারিমুল হাসান
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬
  • ৮৬ বার পঠিত

 

 

কারিমুল হাসান, ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি: বৃষ্টি হলেই চোখ থেকে সরে যায় প্রশান্তিরঘুম। ঘরের অন্যান্য জিনিসপত্র রক্ষা করতেহয় পলিথিনের মোড়কে।  সামান্য বাতাসে পলিথিনের পড়ৎ পড়ৎ শব্দবৃষ্টির রিঝিম বৃষ্টি কবির চোখে অনন্য হলেও হতাশা ভরা দীর্ঘশ্বাস ফেলে চান্দুমিয়া (৫৫)। সে বগুড়ার ধুনট উপজেলার চৌকিবাড়ী ইউনিয়নের পাঁচথুপী গ্রামের মন্ডলবাড়িসংলগ্ন কান্দাপাড়া এলাকার বসু তালুকদারের ছেলে।

 

গত এক বছর আগে ঝড়ের কবলে চান্দুমিয়ার বসত ঘরের চাল উড়ে যায়। এর পর ফাটা টিনের ছাউনি দিয়েঘরের সামনের কিছু অংশ কাপড় দিয়ে ঢেকে রেখে মানবেতর ভাবে বসবাসসহজীবন সংগ্রামে পাড়ি দিচ্ছে চান্দু মিয়া ও ময়না দম্পতি। সময় গড়িয়ে যায় ঘরটি আর আগের মাত নাই।বছর পেরিয়ে গেলেওচাল উড়ে যাওয়ার বসতঘর আর কখনো  মেরামত করার সামর্থ্য হয়নি ওই দম্পতির এখন বাধ্য হয়ে বসবাস করেন ছেলেররেখে যাওয়া জীর্ণশীর্ণ পরিত্যক্ত এক ঘরে।

 

জীর্ণশীর্ণ ঘরের চিত্র দেখলেই বোঝা যায় দারিদ্র্যেরএক বাস্তব চিত্র।প্রতিনিয়ত ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে রাত কাটান এই দম্পতি। বৃষ্টির দিনেঘরের চাল দিয়ে পানি পড়া আর শীতের কুয়াশাসহ ঠান্ডা বাতাসতাদের কাছে অসহ্য যন্ত্রনা আর ব্যাথিত মনের আকুতি। তবুও এই আশ্রয়টুকুই তাদের শেষ সম্বল।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই দম্পত্তির ঘরেরও টিনের চাল ও বেড়া ভাঙা, অসংখ্য ফুটো দিয়ে বৃষ্টির পানি ভেতরে প্রবেশ করে। বৃষ্টির পানিতে ভিজে কাদাহয়ে যায় ঘরের ভেতরটা,কখন ভরসা করে আশ্রয় নিতে হয় অন্যের বাড়িতে।ছেলে বাড়ি ফিরলে বৃদ্ধ বাবা-মায়ের থাকার জায়গাটা সংকির্ণ হয়েযায়। চান্দু মিয়া একসময় দিনমজুরের কাজ করতেন। বয়স বাড়ার সাথে সাথে কাজ করারক্ষমতাটুকুও আর নেই। বর্তমানে তিনি স্থানীয় মুস্তিখালী বাজারের একটি চাউল কলে কাজ করেন।

 

মাস জুড়েকাজের বিনিময়ে পান ৫০০ টাকা ও সামান্য ভাঙা চাইল। যা দিয়েই স্ত্রীকে নিয়ে কোনোরকমে টেনেচালাচ্ছেন সংসার। নেই কোনো স্থায়ী আয়ের উৎস, নেই সরকারি সহায়তাকিংবা সমাজের তেমন কোন সহযোগিতা। বার্ধক্যে এসেও এমন কষ্টের জীবনযাপনের মধ্যে থাকাএই দম্পতির নামে হয়নি কোনো সরকারি সহায়তা কার্ড।সম্বল বলতে আছে শুধু সামান্য এক খণ্ড জমি আরতার ওপর দাঁড়িয়ে থাকা এক জীর্ণশীর্ণ ঘর। কত জনপ্রতিনিধি আসেযায় তবুও এই দম্পতির কাছে এগিয়ে আসা তো দুরের কথা দুর্দশার কেউ খবর রাখেনি কেউই।

 

অন্তত থাকার ঘরটিবসবাসের উপযোগী হলে খেয়ে না খেয়ে হলেও শান্তিতে ঘুমাতে পারবেন এই দম্পতি। নিরাপদ বাসস্থান ও সরকারি সহায়তা পেলেওই দম্পতি নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখতো। ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফউল্লাহ নিজামী বলেন,আমি অবগত ছিলাম না। বিষয়টি আপনার কাছে থেকে পারলাম। জনপ্রতিনিধিদের সাথে কথা বলে কার্যত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।

 

বিডি নিউজ বাংলা ২৪ ডটকম 
Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর