1. admin@bdnewsbangla24.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০১:২৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
আদমদীঘিতে জাতীয় যুব দিবস পালিত রাণীনগরে জাতীয় যুব দিবস পালিত আত্রাইয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন আদমদীঘিতে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত নারীদের অংশ গ্রহনে প্রীতি ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় রাস্তা দখল, উচ্ছেদ অভিযানে বাধা: সিটি কর্পোরেশনের কর্মীকে ছুরিকাঘাত, এক যুবকের ১৫ দিনের কারাদণ্ড সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে আত্রাইয়ের নিহত ৪ জনের দাফন সম্পন্ন দুপচাঁচিয়ায় এইচএসসি পরীক্ষায় বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজ এবারও শীর্ষে রাজশাহী থেকে বাড়ি ফেরা হলো না জয়া রানীর, ট্রাকের চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষিকার উখিয়ার ইনানীতে মাটির গভীর থেকে গ্যাস নির্গত হয়ে আগুন, ২০০ মিটারে ১৪৪ ধারা জারি পাবনায় বিলে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ গেল ৬ জনের, আহত অন্তত ৫

ধুনটের অলিতে-গলিতে আলোর ফেরিওয়ালা “কারেন্ট থাকলেও জ্বলে, না থাকলেও জ্বলে”

কারিমুল হাসান
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৪৮ বার পঠিত

 

 

 

কারিমুল হাসান, ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি: বিদ্যুৎ বিভ্রাটের দাপটে যখন সন্ধ্যার পর বগুড়ার ধুনট উপজেলার জনপদে নেমে আসে অন্ধকারের চাদর, ঠিক তখনই অন্ধকার ভেদ করে অলিগলি মাতিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে আলোর ফেরিওয়ালা। অটোরিকশা কিংবা ভ্যানে সাজানো বাহারি বৈদ্যুতিক বাতি সমাহার নিয়ে হাত মাইকে ভেসে আসতে থাকে অভিনব ডাক “কারেন্ট থাকলেও জ্বলে, না থাকলেও জ্বলে- মাত্র একশ টাকা।”

 

আলোর এই ডাকটিই যেন বিদ্যুৎহীন মানুষের ক্লান্ত মনে একটুখানি আশার প্রদীপ। মাইকের কণ্ঠ শুনেই কৌতূহলী মানুষ ভিড় করছেন ফেরিওয়ালাদের চারপাশে। কেউ কেউ একশ টাকার বিনিময়ে কিনে নিচ্ছেন রঙ-বেরঙের এসব এসি/ডিসি বৈদ্যুতিক বাল্ব। বিদ্যুতের অনিয়মিত আসা-যাওয়ার এই দুঃসময়ে “না থাকলেও জ্বলে” ক্ষণস্থায়ী এই প্রতিশ্রুতিই যেন ক্রেতাদের চোখে স্বস্তির আলো ছড়িয়ে দেয়।

 

স্থানীয় ক্রেতাদের অভিযোগ, বাহারি মোড়কে মোড়ানো ও আকর্ষণীয় প্রচারণায় বিক্রি হওয়া এসব বাল্বের অনেকগুলোই এক থেকে দুই দিনের মধ্যেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। শত টাকায় কেনা আলো নিভে যাচ্ছে অল্প কদিনেই। ফলে স্বস্তির আশায় কেনা সেই আলোই পরিণত হচ্ছে হতাশার কারণ। কম দামের পণ্য কিনেও আর্থিক ক্ষতির বোঝা বইতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

 

স্থানীয়দের ভাষ্য মতে, বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও সংকটময় পরিস্থিতির সুযোগকে পুঁজি করে একশ টাকার এসব বৈদ্যুতিক পণ্যের চলছে জমজমাট ব্যবসা। “কারেন্ট থাকলেও জ্বলে, না থাকলেও জ্বলে” কথার জাদুতে ক্রেতা আকৃষ্ট হলেও পণ্যের স্থায়িত্ব নিয়ে দেখা দিয়েছে প্রশ্ন। অভিযোগ রয়েছে, নিম্নমানের পণ্য বিক্রির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের পকেট থেকে প্রতিদিনই হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে মোটা অংকের টাকা।

 

একজন ভুক্তভোগী ক্রেতা বলেন, বিদ্যুৎ না থাকলেও ঘর আলোকিত থাকবে এই আশায় বাল্বটি কিনেছিলাম। কিন্তু এক-দুই দিন পরই আলো নিভে গেল। এখন মনে হচ্ছে, একশ টাকার আলো নয় বরং আফসোসই কিনেছি। একদিকে ধুনট উপজেলার পথে পথে আলোর ফেরিওয়ালাদের অদ্ভুত দৃশ্য, আরেক দিকে বিদ্যুতের অনিশ্চিত আলো-আঁধারি লুকোচুরি খেলা। সব মিলিয়ে বাস্তবতা নিরিখে নির্মমতায় জীবন পার করছে সাধারন মানুষ।

 

সচেতন মহল মনে করেন. বিদ্যুৎ সংকটের সুযোগ নিয়ে নিম্নমানের বৈদ্যুতিক পণ্য বিক্রি ঠেকাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি প্রয়োজন।একই সঙ্গে ক্রেতাদেরও পণ্য কেনার আগে এর মান, কার্যকারিতা ও স্থায়িত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার জরুরী বলেও মনে করেন। আলো বিক্রির এই অভিনব ফেরিওয়ালারা হয়তো অন্ধকারে ক্ষণিকের স্বস্তি দিচ্ছে, কিন্তু নিম্নমানের পণ্যের কারণে সেই স্বস্তির আলো যখন দুদিনেই নিভে যায়, তখন প্রশ্ন থেকেই যায়, সত্যিই কি আলো বিক্রি হচ্ছে নাকি অন্ধকারের সুযোগে বিক্রি হচ্ছে মানুষের আশা?

 

স্থানীয় এক ইলেক্ট্রনিক্স মেকানিক্স বলেন, এধরনের সস্তাপন্য ব্যবহার করা উচিত নয়। কেননা, এসকল বাল্ফ গুলো খুবই নিম্নমানের যা দ্রুত নষ্ট হয়। এছাড়া যেকোন সময় মারাত্ব দূর্ঘটনার মত ঘটনাও ঘটতে পারে কোন সময়। তাই সমাজের সবারই সচেতন হওয়া উচিত।

 

বিডি নিউজ বাংলা ২৪ ডটকম 
Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর