অরবিন্দ কুমার দাস, দুপচাঁচিয়া (বগুড়া) প্রতিনিধি: মাটি আর মানুষের নিবিড় বন্ধনে যিনি নিয়মিত শ্রম দিয়ে আসছেন সেই রকমই একজন কৃষক বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার সফল সবজি চাষী জাহাঙ্গীর আলম। নিজের কঠোর পরিশ্রম আর নিয়মিত ক্ষেত পরিচর্যায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের সবজি চাষ করে সফলতা অর্জন করেছেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার তালোড়া পৌরসভার স্বর্গপুর মহল্লার বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম। তার জমাজমি বেশি নেই। সামান্য কিছু জমিতে ধান ও সরিষা চাষ করেন। আর কিছু ভিটা জাতীয় জমিতে তিনি দীর্ঘদিন ঘরে নানা ধরনের সবজি চাষ করে আসছেন।
শুরুতে এসব সবজি চাষে আশানুরূপ লাভ না হলেও তিনি হাল ছাড়েননি। এরপর তিনি উপজেলা কৃষি অফিসে পরামর্শে আধুনিক উপায়ে চাষাবাদ শুরু করেন। নিয়মিত পরিচর্যা ও জৈব সারের সুষম ব্যবহারের মাধ্যমে তিনি ফসলের উৎপাদন খরচ অনেকাংশে কমিয়ে আনে। বর্তমানে জাহাঙ্গীর আলম তার দশ শতক জমিতে বেগুন ও পালং শাকের চাষ করেছেন। বর্তমানে তিনি দু’এক দিন পর পর তার ক্ষেত হতে পালং শাক তুলে বাজারে বিক্রি করছেন।
একান্ত আলাপচারিতায় জাহাঙ্গীর আলম জানান, তিনি তাঁর নিচু জমিতে ধান, সরিষা ও কাঠ কচু চাষের পাশাপাশি তার ভিটাতে বিভিন্ন ধরনের সবজি দীর্ঘদিন ধরে চাষ করে আসছেন। বর্তমানে তিনি তার ক্ষেতের পালং শাক বাজারে বিক্রি করছেন। এ পর্যন্ত যে পালং শাক বিক্রি করেছেন তাতে বীজ সহ আনুসাঙ্গিক খরচ উঠে গেছে। বর্তমানে যে শাক রয়েছে তাতে আর্থিকভাবে লাভবান হবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।
তিনি আরও জানান, এ ভিটাতে কখনও মিষ্টি লাউ আবার কখনও বেগুন ও সবজি চাষ করে থাকেন। গত বছর বেগুন বিক্রি করে তার প্রায় ৫০ হাজার টাকা লাভ হয়েছিল। উপজেলা কৃষি অফিসের উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা মামুন আলী প্রাং বলেন, জাহাঙ্গীর আলম একজন পরিশ্রমী কৃষক। তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ফসল চাষ করে থাকেন। কৃষি অফিসের পক্ষ হতে তাকে সার্বিক পরামর্শ দেওয়া হয়।