1. admin@bdnewsbangla24.com : admin :
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
আদমদীঘিতে জাতীয় যুব দিবস পালিত রাণীনগরে জাতীয় যুব দিবস পালিত আত্রাইয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন আদমদীঘিতে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত নারীদের অংশ গ্রহনে প্রীতি ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় রাস্তা দখল, উচ্ছেদ অভিযানে বাধা: সিটি কর্পোরেশনের কর্মীকে ছুরিকাঘাত, এক যুবকের ১৫ দিনের কারাদণ্ড সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে আত্রাইয়ের নিহত ৪ জনের দাফন সম্পন্ন দুপচাঁচিয়ায় এইচএসসি পরীক্ষায় বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজ এবারও শীর্ষে রাজশাহী থেকে বাড়ি ফেরা হলো না জয়া রানীর, ট্রাকের চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষিকার উখিয়ার ইনানীতে মাটির গভীর থেকে গ্যাস নির্গত হয়ে আগুন, ২০০ মিটারে ১৪৪ ধারা জারি পাবনায় বিলে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ গেল ৬ জনের, আহত অন্তত ৫

বগুড়ায় চিকিৎসায় অবহেলায় কলেজ শিক্ষার্থীর পা হারানোর অভিযোগ, বন্ধুদের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ

রায়হানুল ইসলাম
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৩৪ বার পঠিত

​

রায়হানুল ইসলাম, বগুড়া জেলা প্রতিনিধি: বগুড়ায় চিকিৎসায় অবহেলার কারণে ইশতিয়াক জামান ইরাম (১৮) নামের এক কলেজ শিক্ষার্থীর বাঁ পা কেটে ফেলতে বাধ্য হয়েছেন চিকিৎসকরা। এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং আহত শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া চার বন্ধুকে মিথ্যা মামলায় কারাগারে পাঠানোর প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে বগুড়া শহর। মঙ্গলবার বগুড়া শহরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথায় সাধারণ শিক্ষার্থী ও বগুড়া জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষার্থীদের ব্যানারে এক বিশাল মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়।

ভুক্তভোগীর পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় বগুড়া সরকারি বাণিজ্যিক কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ইশতিয়াক জামান ইরামের বাঁ পা ভেঙে যায়। তাৎক্ষণিকভাবে তাঁর চার বন্ধু ও সহপাঠীরা তাঁকে উদ্ধার করে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। অভিযোগ রয়েছে, জরুরি বিভাগ থেকে ট্রলিতে করে ওয়ার্ডে নেওয়ার সময় ২০০ টাকা বকশিশ দাবি করেন এক ট্রলিম্যান। বকশিশের বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে কথা কাটাকাটি শুরু হলে হাসপাতালের স্টাফ ও আনসার সদস্যরা একজোট হয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর চড়াও হন।

একপর্যায়ে পুলিশ ডেকে এনে উল্টো মারধরের অভিযোগ তুলে ইরামের চার বন্ধুকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়। পরবর্তীতে পুলিশ ওই চার শিক্ষার্থীকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠন। ইরামের বাবা শাহাদৎ জামান মজনু অভিযোগ করেন, বন্ধুদের গ্রেপ্তারের পর আতঙ্ক ও মানসিক ট্রমার মধ্যে থাকা ইরামের চিকিৎসায় চরম অবহেলা প্রদর্শন করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এক্স-রে ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে দীর্ঘ সময়ক্ষেপণ করা হয়। ​দুদিন পর ইরামের পায়ের আঙুল অবশ হয়ে গেলে টনক নড়ে চিকিৎসকদের। তখন তড়িঘড়ি করে তাঁকে ঢাকায় স্থানান্তরের পরামর্শ দেওয়া হয়।

গত রোববার রাতে ঢাকার জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) জরুরি অস্ত্রোপচার করে চিকিৎসকেরা তাঁর জীবন বাঁচাতে বাঁ পা কেটে ফেলতে বাধ্য হন। সাতমাথায় আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মুমূর্ষু বন্ধুকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়াটাই কি অপরাধ ছিল? চিকিৎসকদের চরম অবহেলা ও হাসপাতালের স্টাফদের অমানবিক আচরণ আজ একটি তরতজা তরুণের জীবন চিরতরে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিয়েছে। শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দায়িত্বজ্ঞানহীন স্টাফদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, এবং ইরামের সুচিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণের দাবি জানান।

বিডি নিউজ বাংলা ২৪ ডটকম 
Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর