অভিযোগে আরও বলা হয়েছে,ঘটনার জেরে গতকাল বুধবার বিদ্যালয়ের সামনে অভিযুক্ত শিক্ষক তাকে জুতাপেটা করার চেষ্টা করেন। অন্য শিক্ষকদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এরপর তিনি মান্দা থানায় আরেকটি অভিযোগ দায়ের করেন। ভুক্তভোগীর দাবি, অভিযোগ করার পর থেকে তাকে মোবাইল ফোনে হত্যার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে।
ঘটনাটির কথা এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এরপর আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এলাকাবাসী সমবেত হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এ সময় অভিযুক্ত শিক্ষক বিদ্যালয় থেকে সটকে পড়েন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত শিক্ষক জিয়াউল হকের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও সেটা বন্ধ পাওয়া যায়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল ওয়াহেদ বলেন, সহকারী শিক্ষক জিয়াউল হক জিয়ার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ গুলোর বিষয়ে প্রতিষ্ঠান থেকে সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে তিনি তাতে সাড়া না দেওয়ায় ভুক্তভোগী শিক্ষক প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেন।