রায়হানুল ইসলাম, জেলা প্রতিনিধি: বগুড়া স্বাচিপের সাবেক সভাপতি ডাঃ সামির হোসেন মিশুকে (৫৮) একটি বিস্ফোরক মামলায় গ্রেফতারের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। গ্রেফতারের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে সোমবার রাতে শহরের জলেশ্বরীতলার এক অভিজাত হোটেলে পুলিশের কর্মকর্তাদের সাথে তিনি নৈশভোজ করেন। বগুড়া সদর থানার বড় ও ছোট বাবুর সাথে ঐতিহ্যবাহী ‘আলু ঘাটি’ দিয়ে একই টেবিলে বসে রাতের খাবার সারেন ডাঃ মিশু। নৈশভোজের পর শেরপুরের মকটেল হোটেল থেকে তাকে শেরপুর থানা পুলিশ গ্রেফতার করে এবং পরে সদর থানার ছোট বাবু তাকে সদরে নিয়ে আসেন। ডাঃ মিশু সদর থানার গত ২২/১০/২০২৫ তারিখের ৭৭ নং বিস্ফোরক ও মারপিট মামলার এজাহারনামীয় ৭০...
৪৫
রায়হানুল ইসলাম, জেলা প্রতিনিধি: বগুড়া স্বাচিপের সাবেক সভাপতি ডাঃ সামির হোসেন মিশুকে (৫৮) একটি বিস্ফোরক মামলায় গ্রেফতারের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
গ্রেফতারের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে সোমবার রাতে শহরের জলেশ্বরীতলার এক অভিজাত হোটেলে পুলিশের কর্মকর্তাদের সাথে তিনি নৈশভোজ করেন।
বগুড়া সদর থানার বড় ও ছোট বাবুর সাথে ঐতিহ্যবাহী ‘আলু ঘাটি’ দিয়ে একই টেবিলে বসে রাতের খাবার সারেন ডাঃ মিশু।
নৈশভোজের পর শেরপুরের মকটেল হোটেল থেকে তাকে শেরপুর থানা পুলিশ গ্রেফতার করে এবং পরে সদর থানার ছোট বাবু তাকে সদরে নিয়ে আসেন।
ডাঃ মিশু সদর থানার গত ২২/১০/২০২৫ তারিখের ৭৭ নং বিস্ফোরক ও মারপিট মামলার এজাহারনামীয় ৭০ নম্বর আসামী। তিনি বগুড়া শহরের জলেশ্বরীতলা আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠ এলাকার মৃত ডাঃ সাফদার হোসেনের ছেলে।
স্থানীয় মহলে গুঞ্জন উঠেছে, এক প্রভাবশালী ব্যক্তিকে খুশি করতেই সদর ও শেরপুর থানার ‘বাবু’রা এই অভিযান চালিয়েছেন।
একই সাথে খাবার খেয়ে রাতেই গ্রেফতারের এই নাটকীয়তায় পুলিশের কাজের নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন উঠেছে।
একজন পরিচিত চিকিৎসক নেতাকে কেন্দ্র করে পুলিশের এমন রহস্যময় ভূমিকা নিয়ে পুরো বগুড়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।