অনলাইন সংরক্ষণঃ
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে এখন থেকে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পরীক্ষার ফি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিদ্যালয়ের পরিচালনা ও পরীক্ষা আয়োজনের ব্যয় মেটাতে শ্রেণিভেদে এই ফি নির্ধারিত হারে নির্ধারণ করা হয়েছে।
অ্যাসোসিয়েশনের জাতীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. সাখাওয়াত হোসেন এ নির্দেশনার কথা জানান। গার্ল গাইডস হলদে পাখি সম্প্রসারণে পাখি ও প্রাথমিক শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে এই সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়।
সচিব জানান, পরীক্ষার ব্যয়ভার নির্বাহের জন্য শিক্ষার্থীদের থেকে নির্ধারিত সীমার মধ্যে অর্থ নেওয়া যাবে। শ্রেণিভেদে ফির হার তৃতীয় শ্রেণি: ৩০ টাকা চতুর্থ শ্রেণি: ৪০ টাকাপঞ্চম শ্রেণি: ৫০ টাকা
পরীক্ষার ফি নেওয়ার যৌক্তিকতা তুলে ধরে গণশিক্ষা সচিব মো,সাখাওয়াত হোসেন বলেনবর্তমানে প্রধান শিক্ষকদের যে ‘স্লিপ বরাদ্দ দেওয়া হয়,তা দিয়ে অনেক ক্ষেত্রে পরীক্ষা আয়োজন করা কঠিন হয়ে পড়ছে। অনেক সময় শিক্ষকদের পকেট থেকে টাকা খরচ করতে হয়।
শিক্ষকদের ব্যক্তিগত অর্থ ব্যয় করে পরীক্ষা নেওয়া বাস্তবসম্মত নয়। তাই শিক্ষকদের ব্যক্তিগত অর্থ ব্যয় না করে, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নির্ধারিত সীমার মধ্যে এ অর্থ নেওয়া যেতে পারে। এটি কোনো অন্যায় কাজ নয়।
বাংলাদেশ গার্ল গাইডস অ্যাসোসিয়েশনের জাতীয় কমিশনার কাজী জেবুন্নেছা বেগমের সঞ্চালনায় সম্মেলনে আরও আলোচনা করেন: ছাইফুল ইসলাম যুগ্ম সচিব,পরিকল্পনা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বেলা রাণী সরকার হলদে পাখি কমিশনার, গার্লস গাইড অ্যাসোসিয়েশনঅধ্যাপক ড. ইয়াসমিন আহমেদ ডেপুটি জাতীয় কমিশনার, প্রোগ্রাম
এছাড়াও রাজধানী অতিরিক্ত দায়িত্বওময়মনসিংহ অঞ্চলের আঞ্চলিক কমিশনার আনজুমান আরা,ইয়াসমিন আক্তার বানু এবং রওশন আরা খান সম্মেলনে উপস্থিত থেকে তাদের মতামত ব্যক্ত করেন।