1. admin@bdnewsbangla24.com : admin :
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
৭ দফা দাবী আদায়ে জেলা সমাবেশ সফল করতে আদমদীঘি দলিল লেখকদের প্রস্তুতিমুলক সভা দুপচাঁচিয়ায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দুই ডাকাত গ্রেপ্তার আত্রাইয়ে পোনামাছ অবমুক্ত করণের শুভ উদ্বোধন লালমনিরহাটে হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড দুপচাঁচিয়ায় প্রধান শিক্ষক নূর ইসলামের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত নয় বছর পর এসিডদগ্ধ গৃহবধূ আমেনার মৃত্যু, প্রধান আসামি গ্রেফতারের দাবিতে লালমনিরহাটে মানববন্ধন আত্রাইয়ে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন বগুড়ার সোনাতলায় অটোরিকশাচালক কিশোরের রহস্যজনক মৃত্যু ঠাকুরগাঁওয়ে জুয়ার আসর থেকে ৪ পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার নিয়ামতপুরে ৫৫০ লিটার চোলাইমদসহ গ্রেপ্তার ৩

​৮ বছর ধরে ‘দোকানে’ খুঁড়িয়ে চলছে আবাদপুকুর পোস্ট অফিস: স্থায়ী ভবনের অপেক্ষায় সেবাগ্রহীতারা

বিডি নিউজ বাংলা ২৪ ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১ জুন, ২০২৬
  • ৯৭ বার পঠিত
৬০

বিডি নিউজ বাংলা ২৪ ডেস্ক : নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার পূর্ব জনপদের প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র আবাদপুকুর বাজার। প্রতিদিন এখান থেকে সারা দেশে ধান ও চালের বিশাল চাহিদা পূরণ করা হয়। বাণিজ্যিক গুরুত্ব বিবেচনায় এখানে ব্যাংক, বীমা, এনজিও ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ অর্ধশতাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান থাকলেও চরম অবহেলিত অবস্থায় পড়ে আছে সরকারি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান ‘আবাদপুকুর পোস্ট অফিস’ (কোড নং ৫৮৯০)। দীর্ঘ ৮ বছর ধরে নিজস্ব ভবন না থাকায় অন্যের দোকানে বসে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে এর দাপ্তরিক কার্যক্রম। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সেবাগ্রহীতারা।


​পোস্টমাস্টার মোঃ এমদাদুল আলম ক্ষোভের সঙ্গে জানান, গত ৮ বছর ধরে তিনি স্থায়ী কোনো কক্ষ ছাড়াই কাজ করছেন। এর আগে দীর্ঘ এক বছর একটি ফলের দোকানে বসে দাপ্তরিক কাজ চালিয়েছেন। এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে বগুড়া জেলা ডেপুটি পোস্টমাস্টার জেনারেল (DPMG) এসে বর্তমানে ‘এস টু কম্পিউটার’ নামক দোকানে বসে সাময়িকভাবে কাজ চালানোর নির্দেশ দেন। সেই থেকে এভাবেই চলছে সরকারি এই সেবা।

​পোস্ট অফিসের রানার দুলাল হোসেন জানান, পুরনো ঘরটি ভেঙে যাওয়ার পর বারবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কোনো প্রতিকার মেলেনি। এমনকি পোস্টমাস্টার ও আমি মিলে নিজস্ব অর্থায়নে পোস্ট অফিসের জায়গায় দুটি ইটের ঘর নির্মাণ করতে চাইলেও কর্তৃপক্ষ অনুমতি দেয়নি। কর্তৃপক্ষের সাফ নির্দেশ-ব্যক্তিগত টাকায় সরকারি জায়গায় কোনো স্থাপনা করা যাবে না।
​সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সরকারি অর্থায়নে ভবন নির্মাণের জন্য ন্যূনতম ৩ শতাংশ রেজিস্ট্রিকৃত জায়গার প্রয়োজন। কিন্তু আবাদপুকুর পোস্ট অফিসের নামে জায়গা রয়েছে মাত্র ২ শতাংশ। আবাদপুকুর বাজারের মতো দামি এলাকায় অবশিষ্ট ১ শতাংশ জায়গা কে দান করবে-তা নিয়ে দেখা দিয়েছে চরম অনিশ্চয়তা।

​দোকান মালিক মোঃ হারুন অর রশিদ (টিপু) জানান, তার দোকানের একটি অংশ নিয়ে প্রায় ৬-৭ বছর ধরে পোস্ট অফিসের কার্যক্রম চলছে। দোকানের মাসিক ভাড়া ৪৪০০ টাকা। শর্ত ছিল ভাড়ার অর্ধেক (২২০০ টাকা) পোস্ট অফিস কর্তৃপক্ষ পরিশোধ করবে। কিন্তু দীর্ঘদিন পার হলেও সেই ভাড়ার টাকা পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি বিদ্যুৎ বিলও দোকান মালিককেই পরিশোধ করতে হচ্ছে। উল্টো পোস্ট ই-সেন্টার পরিচালনার জন্য  আমাকে প্রতি মাসে ২০০ টাকা পোস্ট অফিসে দিতে হয়।

​একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকায় পোস্ট অফিসের এমন জরাজীর্ণ দশা মেনে নিতে পারছেন না স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ। এলাকাবাসী দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করে একটি স্থায়ী ভবন নির্মাণের জন্য বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
​বগুড়া জেলা ডেপুটি জেনারেল পোস্টমাস্টার জেনারেল (DPMG) মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, আবাদপুকুর পোস্ট অফিসটি দীর্ঘ ৮ বছর ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। আমরা ইতিমধ্যে সেখানে নতুন ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি এবং পুনর্নির্মাণ তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়েছি। সারাদেশে ৮,৪৬০টি অ-বিভাগীয় ডাকঘর রয়েছে, যা একবারে নির্মাণ করা সম্ভব নয়। পর্যায়ক্রমে আবাদপুকুর পোস্ট অফিসের ভবনটিও নির্মাণ করা হবে। তিনি ওরো বলেন ওইখানে জায়গা তিন শতকের কম থাকলেও পরিকল্পনা মাফিক ভবন তৈরি করা হবে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর