1. admin@bdnewsbangla24.com : admin :
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
আদমদীঘির কুন্দগ্রাম ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান কিবরিয়ার ১ম মৃত্যুবার্ষিকী আদমদীঘিতে নারীসহ ৪জন গ্রেফতার গণেশ মূর্তি উদ্ধার ৭ দফা দাবী আদায়ে জেলা সমাবেশ সফল করতে আদমদীঘি দলিল লেখকদের প্রস্তুতিমুলক সভা দুপচাঁচিয়ায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দুই ডাকাত গ্রেপ্তার আত্রাইয়ে পোনামাছ অবমুক্ত করণের শুভ উদ্বোধন লালমনিরহাটে হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড দুপচাঁচিয়ায় প্রধান শিক্ষক নূর ইসলামের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত নয় বছর পর এসিডদগ্ধ গৃহবধূ আমেনার মৃত্যু, প্রধান আসামি গ্রেফতারের দাবিতে লালমনিরহাটে মানববন্ধন আত্রাইয়ে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন বগুড়ার সোনাতলায় অটোরিকশাচালক কিশোরের রহস্যজনক মৃত্যু

নওগাঁয় হাজিরা খাতায় সুপারের স্বাক্ষর ফ্লুইড দিয়ে মুছে দেওয়ার অভিযোগ

আব্দুর রউফ রিপন
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬
  • ৪৮ বার পঠিত
৭৫
আব্দুর রউফ রিপন, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি :  নওগাঁর পোরশা উপজেলার কাতকইল দাখিল মাদ্রাসায় সুপারিন্টেন্ডেন্টের হাজিরা খাতার স্বাক্ষর ফ্লুইড দিয়ে মুছে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভারপ্রাপ্ত (অ্যাডহক) কমিটির সভাপতি মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সুপারিন্টেন্ডেন্ট আব্দুল বারী স্থানীয় সংসদ সদস্য ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। তবে হাজিরা খাতায় ফ্লুইড ব্যবহারের বিষয়টি স্বীকার করেছেন সভাপতি।
লিখিত অভিযোগে আব্দুল বারী বলেন, ২০২০ সালের ১১ জানুয়ারি তাঁকে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদন ও আপিল অ্যান্ড আর্বিট্রেশন কমিটির সিদ্ধান্ত ছাড়াই বরখাস্ত করা হয়। পরে তিনি হাইকোর্টে রিট করলে আদালত তাঁর পক্ষে রায় দেন এবং সেই রায় বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ২০২১ সালের ১০ মার্চ তাঁকে সুপারিন্টেন্ডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, পরবর্তী সময়ে বিষয়টি নিয়ে আবারও আইনি প্রক্রিয়া চললেও চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট আব্দুল বারীর পক্ষে রায় দেন। পরে সুপ্রিম কোর্টে করা আপিল খারিজ হলে হাইকোর্টের আদেশ বহাল থাকে। সেই আদেশের ভিত্তিতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার লিখিত অনুমতি নিয়ে তিনি গত ৩০ এপ্রিল মাদ্রাসায় যোগ দেন এবং ২৯ জুন পর্যন্ত হাজিরা খাতায় নিয়মিত স্বাক্ষর করেন। গত ২৯ জুন মাদ্রাসা ছুটির পর সভাপতি মিজানুর রহমান হাজিরা খাতা নিয়ে তাঁর প্রায় দুই মাসের স্বাক্ষর ফ্লুইড দিয়ে মুছে দেন এবং পরে নতুন হাজিরা খাতা চালু করেন।
অ্যাডহক কমিটির সভাপতি মিজানুর রহমান হাজিরা খাতায় ফ্লুইড ব্যবহারের বিষয়টি স্বীকার করেন। তবে তিনি বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে মামলা চলমান রয়েছে। হাজিরা খাতার স্বাক্ষর এভাবে মুছে দেওয়ার ক্ষমতা তাঁর আছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “এ বিষয়ে আমার জানা নেই। জেনে জানাব।” পরে তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
ভুক্তভোগী সুপারিন্টেন্ডেন্ট আব্দুল বারীর দাবি, বর্তমান সভাপতি পূর্ববর্তী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্ররোচনায় বিধিবহির্ভূতভাবে হাজিরা খাতায় তাঁর স্বাক্ষর মুছে দিয়েছেন। তিনি এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) শামসুল আলম অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর