1. admin@bdnewsbangla24.com : admin :
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৪৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
আদমদীঘিতে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত নারীদের অংশ গ্রহনে প্রীতি ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় রাস্তা দখল, উচ্ছেদ অভিযানে বাধা: সিটি কর্পোরেশনের কর্মীকে ছুরিকাঘাত, এক যুবকের ১৫ দিনের কারাদণ্ড সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে আত্রাইয়ের নিহত ৪ জনের দাফন সম্পন্ন দুপচাঁচিয়ায় এইচএসসি পরীক্ষায় বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজ এবারও শীর্ষে রাজশাহী থেকে বাড়ি ফেরা হলো না জয়া রানীর, ট্রাকের চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষিকার উখিয়ার ইনানীতে মাটির গভীর থেকে গ্যাস নির্গত হয়ে আগুন, ২০০ মিটারে ১৪৪ ধারা জারি পাবনায় বিলে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ গেল ৬ জনের, আহত অন্তত ৫ গোপনে বাল্যবিয়ে, পরে ধুমধাম আয়োজন আদমদীঘিতে রাতভর উচ্চ শব্দে গান-বাজনা প্রতিকার করবে কে সনাতন ধর্মালম্বীদের দামোদর মাস উপলক্ষে দুপচাঁচিয়ায় মাস ব্যাপী নগর কীর্তন শুরু ধুনটে শ্বাসরোধে স্ত্রীকে হত্যা, স্বামী আটক

নওগাঁয় হাজিরা খাতায় সুপারের স্বাক্ষর ফ্লুইড দিয়ে মুছে দেওয়ার অভিযোগ

আব্দুর রউফ রিপন
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬
  • ৯২ বার পঠিত
আব্দুর রউফ রিপন, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি :  নওগাঁর পোরশা উপজেলার কাতকইল দাখিল মাদ্রাসায় সুপারিন্টেন্ডেন্টের হাজিরা খাতার স্বাক্ষর ফ্লুইড দিয়ে মুছে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভারপ্রাপ্ত (অ্যাডহক) কমিটির সভাপতি মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সুপারিন্টেন্ডেন্ট আব্দুল বারী স্থানীয় সংসদ সদস্য ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। তবে হাজিরা খাতায় ফ্লুইড ব্যবহারের বিষয়টি স্বীকার করেছেন সভাপতি।
লিখিত অভিযোগে আব্দুল বারী বলেন, ২০২০ সালের ১১ জানুয়ারি তাঁকে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদন ও আপিল অ্যান্ড আর্বিট্রেশন কমিটির সিদ্ধান্ত ছাড়াই বরখাস্ত করা হয়। পরে তিনি হাইকোর্টে রিট করলে আদালত তাঁর পক্ষে রায় দেন এবং সেই রায় বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ২০২১ সালের ১০ মার্চ তাঁকে সুপারিন্টেন্ডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, পরবর্তী সময়ে বিষয়টি নিয়ে আবারও আইনি প্রক্রিয়া চললেও চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট আব্দুল বারীর পক্ষে রায় দেন। পরে সুপ্রিম কোর্টে করা আপিল খারিজ হলে হাইকোর্টের আদেশ বহাল থাকে। সেই আদেশের ভিত্তিতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার লিখিত অনুমতি নিয়ে তিনি গত ৩০ এপ্রিল মাদ্রাসায় যোগ দেন এবং ২৯ জুন পর্যন্ত হাজিরা খাতায় নিয়মিত স্বাক্ষর করেন। গত ২৯ জুন মাদ্রাসা ছুটির পর সভাপতি মিজানুর রহমান হাজিরা খাতা নিয়ে তাঁর প্রায় দুই মাসের স্বাক্ষর ফ্লুইড দিয়ে মুছে দেন এবং পরে নতুন হাজিরা খাতা চালু করেন।
অ্যাডহক কমিটির সভাপতি মিজানুর রহমান হাজিরা খাতায় ফ্লুইড ব্যবহারের বিষয়টি স্বীকার করেন। তবে তিনি বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে মামলা চলমান রয়েছে। হাজিরা খাতার স্বাক্ষর এভাবে মুছে দেওয়ার ক্ষমতা তাঁর আছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “এ বিষয়ে আমার জানা নেই। জেনে জানাব।” পরে তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
ভুক্তভোগী সুপারিন্টেন্ডেন্ট আব্দুল বারীর দাবি, বর্তমান সভাপতি পূর্ববর্তী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্ররোচনায় বিধিবহির্ভূতভাবে হাজিরা খাতায় তাঁর স্বাক্ষর মুছে দিয়েছেন। তিনি এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) শামসুল আলম অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর