1. admin@bdnewsbangla24.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
আদমদীঘিতে জাতীয় যুব দিবস পালিত রাণীনগরে জাতীয় যুব দিবস পালিত আত্রাইয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন আদমদীঘিতে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত নারীদের অংশ গ্রহনে প্রীতি ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় রাস্তা দখল, উচ্ছেদ অভিযানে বাধা: সিটি কর্পোরেশনের কর্মীকে ছুরিকাঘাত, এক যুবকের ১৫ দিনের কারাদণ্ড সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে আত্রাইয়ের নিহত ৪ জনের দাফন সম্পন্ন দুপচাঁচিয়ায় এইচএসসি পরীক্ষায় বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজ এবারও শীর্ষে রাজশাহী থেকে বাড়ি ফেরা হলো না জয়া রানীর, ট্রাকের চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষিকার উখিয়ার ইনানীতে মাটির গভীর থেকে গ্যাস নির্গত হয়ে আগুন, ২০০ মিটারে ১৪৪ ধারা জারি পাবনায় বিলে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ গেল ৬ জনের, আহত অন্তত ৫

ধুনটে বিদ্যুতের লুকোচুরিতে হারিকেনের প্রেম, পাশে নেই কেরোসিন, মিলছে না মোমবাতি

কারিমুল হাসান
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬
  • ৭৩ বার পঠিত

 

 

কারিমুল হাসান, ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি: আঁধার নেমে এলে গ্রামীণ জনপদে একসময় প্রশান্তির আলো ছড়াত হারিকেন। আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে যাওয়া সেই হারিকেন বাধ্য হয়েই ফিরে এসেছে পুরনো প্রেমের টানে। বগুড়ার ধুনটে বিদ্যুতের অবিরত লুকোচুরিতে বাধা পড়ছে হারিকেন প্রেম। দোকানে নেই কেরোসিন, বিকল্প হিসেবে খুব একট মিলছে না মোমবাতিও। প্রেমের ফাঁকে অন্ধকার যেন চারপাশ থেকে ঘিরে ধরেছে উপজেলার লাখো মানুষকে।

 

ধুনট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতায় ১০টি উপজেলা ও পৌরসভার ২২১টি গ্রামে প্রায় ৯৪ হাজার ১০ জন নিবন্ধিত গ্রাহকের বিপরীতে প্রতিদিন চাহিদা ২০ থেকে ২৫ মেগাওয়াট। অথচ সরবরাহ মিলছে অর্ধেকেরও কম। দুপুরের তিব্র গরমে চরম চাহিদার মুহূর্তে ১৫ মেগাওয়াটের বিপরীতে মিলছে মাত্র ৮ মেগাওয়াট। ফলে ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত লোডশেডিং করতে গিয়ে দিন ও রাত মিলিয়ে প্রায় ১৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকতে হচ্ছে উপজেলার সর্বস্তরের মানুষকে।

 

কোনো নির্দিষ্ট সময়সূচি ছাড়াই প্রতি দুই থেকে তিন ঘন্টা পরপর বিদ্যুৎ চলে গিয়ে ফেরে মাত্র ক্ষনিকে জন্য। রাতের এমন মুহুর্তেই জমে ওঠে হারিকেনের প্রেম আর দোকানে না থাক মোমবাতির দুরত্ব। বিদ্যুৎ চলে গেলেই এখন বাধ্য হয়ে মানুষ হারিকেন বা মোমবাতিকেই বেছে নেয়। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় হঠাৎ করেই বাজারে অনেকটাই দেখা দিয়েছে মোমবাতির সংকট। অন্যদিকে আধুনিকতার ছোঁয়ায় অধিকাংশ দোকানেই আর কেরোসিন কেনাবেচা হয় না।

 

ফলে বিকল্প আলোর অভাবে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ভুক্তভোগীরা। কোনো আগাম বার্তা না পেয়ে প্রচণ্ড গরমে শিশু, বৃদ্ধ ও রোগীদের নাভিশ্বাস উঠেছে। এই জনদুর্ভোগের প্রভাব পড়েছে অর্থনীতি ও শিক্ষাজীবনেও। আলোর অভাবে ঠিকমতো পড়তে না পেরে পিছিয়ে পড়ছে শিক্ষার্থীরা। বৈদ্যুতিক সংকটে ইন্টারনেটের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় নির্দিষ্ট সময়ে কাজ জমা দিতে না পেরে আন্তর্জাতিক ক্লায়েন্ট কন্টাক হারিয়ে দিশেহারা উপজেলার ফ্রিল্যান্সার তরুণেরা। চালকল, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও রেস্তোরাঁ ব্যবসা স্থবির হয়ে পড়েছে। বিদ্যুৎহীন গরমে পোল্ট্রি খামারে মারা যাচ্ছে মুরগি।

 

গ্রামীন জনপদের ক্ষুদ্র দোকানে কেরোসিন না থাকায় স্থানীয়দের যেতে হচ্ছে পাশ্ববর্তী বাজারে। দামে কিছুটা বেশি হলেও বাধ্য হয়েই কেরোসিন কিনছে সাধারন মানুষ। গ্রামের ক্ষুদ্র ও মাঝারী দোকানে মোমবাতি নেই বললেই চলে। একদিকে যেমন বিদ্যুৎ বিভ্রাট অন্যদিকে কেরোসিনের চরাদাম, প্রতিপিস মোমবাতি ১০ টাকা করে কিনতে হিমশিম খাচ্ছে স্বল্প আয়ের মানুষ।

 

বিডি /নিউজ/ বাংলা ২৪/ ডটকম 
Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর